বিশ্বের শীর্ষ কোকো উৎপাদনকারী দেশ আইভরি কোস্ট। দেশটিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অক্টোবর-মার্চে উৎপাদিত কোকো সরবরাহের চুক্তি বিক্রি হয়েছে ১৩ লাখ টন। এটি গত বছরের একই সময়ের ১৪ লাখ টনের তুলনায় কম। দেশটির কফি অ্যান্ড কোকো কাউন্সিল (সিসিসি) সংশ্লিষ্ট দুই সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এ হ্রাসের পেছনে ভূমিকা রেখেছে কোকো ফসলের সংগ্রহ ও উৎপাদন কমে যাওয়া। খবর রয়টার্স।
খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষকরা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করেনি। এছাড়া পুরনো খেত, ফসলের রোগ ও অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিপাতের কারণে উৎপাদন কমেছে।
সূত্রের দেয়া তথ্যানুযায়ী আইভরি কোস্টের প্রধান দুই বন্দর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত কোকো সরবরাহের পরিমাণ ৩০ শতাংশ কমে যেতে পারে। তবে উৎপাদনকারীরা চুক্তি অনুযায়ী কোকো সরবরাহ করতে পারবে।
নভেম্বরের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী আইভরি কোস্টে মধ্যম মৌসুমে কোকো উৎপাদন ২৫-৩০ শতাংশ কমবে। ডিসেম্বর-এপ্রিল পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুম ও চলমান খরার কারণে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।
সিসিসির দেয়া তথ্যানুযায়ী ফসলের শেষ পর্যায় ও মধ্যম মৌসুমের ফসলের জটিলতা মোকাবেলায় মজুদ যাচাই এবং রফতানিকারকদের ক্রয় সীমিত করার পরিকল্পনা করছে। এছাড়া মধ্যম মৌসুমে উৎপাদিত সব কোকো শুধু স্পট মা র্কেটে সরবরাহ করা হবে।